নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৩১ রানের পুঁজি কি যথেষ্ট? মোটেও নয়। স্বাগতিকরা তাইতো বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ জিতেছে ৮ উইকেটে। ডানেডিনে প্রথম ইনিংসেই ম্যাচ শেষ।
নিউ জিল্যান্ডের বোলাররা ধারাবাহিক ভালো বোলিং করেছে। সেই পুরস্কার তারা পেয়েছে। সঠিক লাইন ও লেন্থে টানা বোলিং করায় ব্যাটসম্যানরা ভুল করতে বাধ্য হয়েছেন। তামিম, সৌম্য, লিটন, মুশফিক প্রত্যেকেই আউট হয়েছেন বাজে শটে। শেষ দিকে মিরাজ ও মাহেদী হাসানও একই ভুল করেছেন। তাইতো ম্যাচ শেষে অধিনায়ক স্বীকার করতে দ্বিধা করেননি, ‘আমরা উইকেট বিলিয়ে এসেছি।’
পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে তামিম বলেন, ‘আমার মনে হয় অনেক বেশি আমরা উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছি। কোনো সন্দেহ নেই তারা দারুণ বোলিং করেছে। কিন্তু আমার মনে হয় আমরা কিছু বাজে শট খেলেছি এবং আমরা কেবল নিজেদেরকেই দোষ দিতে পারি। আমরা আমাদের ব্যাটিং নিয়ে অনেক গর্ব করি। কিন্তু আজকে তা কাজ করেনি। এই উইকেটে ১৩০ কোনোভাবেই যথেষ্ট নয়। আমরা আশা করছি ভুলগুলো খুঁজে বের করার এবং সেগুলো পরের ম্যাচে না করার। কারণ যেমনটা আমি বললাম, আমরা আমাদের ব্যাটিং নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি।’
কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া ও প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি ছিল না সেই কথা জানিয়ে রাখলেন তামিম, ‘আমরা কুইন্সটাউনে কয়েক দিন ছিলাম, আমরা আমাদের প্রস্তুতি নিয়েছি। আমি আসলে সেগুলো নিয়ে অভিযোগ করতে পারি না। এই কন্ডিশন আমাদের জন্য নতুন কিছু নয়, আমরা প্রায়ই নিউ জিল্যান্ডে আসি। যদিও নিউ জিল্যান্ড আমাদের দেশে আসে না (হাসি), ওটা ভিন্ন বিষয়। যাই হোক, এই কন্ডিশন আমাদের জন্য নতুন কিছু নয়। আমরা আশা করছি আগামী ম্যাচে আমরা এর চেয়ে ভাল খেলব।‘
অভিষিক্ত মাহেদী হাসান ছক্কায় রানের খাতা খোলার পর ম্যাচসেরা নির্বাচিত হওয়া বোল্টকে দারুণ চার মেরেছিলেন। কিন্তু স্ট্যানারের বল এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে নিজের উইকেট উপহার দেন। পরবর্তীতে আটঁসাট বোলিংয়ে কিউইদের চেপে ধরেছিলেন।তার থেকে আর ভালো কিছুর প্রত্যাশায় তামিম, ‘মাহেদির প্রথম শটটা বেশ ভালো ছিল। সে আরও কিছুক্ষণ ব্যাটিং করতে পারলে আরও ভালো হতো, কিন্তু আমার মনে হয় সে খুব ভালো বোলিং করেছে। কারণ এরকম কন্ডিশনে স্পিন বোলিং করাটা সহজ নয়। কিন্তু আমার মনে হয় সে আজকে অনেক সাহসের পরিচয় দিয়েছে।’